Friday, April 19, 2013

কোনও উন্নত দেশের ঋণ জাতীয় আয়ের ৯০ শতাংশ ছাড়িয়ে গেলে, তা বৃদ্ধিকে পুরোপুরি থমকে দেওয়ার পক্ষে যথেষ্ট

‘বামন’ হয়েও চাঁদের ‘কলঙ্ক’ ধরে ফেললেন টমাস হের্ন্ডন।
প্রথমটা বিশ্বাস হয়নি। হওয়ার কথাও নয়। কিন্তু শেষমেশ নিজেকে প্রায় চিমটি কেটে বছর আঠাশের টমাস দেখলেন, দুই পৃথিবী বিখ্যাত অর্থনীতিবিদের ততোধিক বিখ্যাত তত্ত্বের হিসেবের ভুল ধরে ফেলেছেন তিনি। যা নিয়ে আজ দুনিয়াজুড়ে হইচই। বিশ্বজোড়া বিতর্ক। এমনকী প্রশ্ন উঠে গিয়েছে, মন্দা কাটাতে খরচ কমানোর তেতো দাওয়াই তা হলে কতটা সঠিক?
অথচ গল্পের শুরুটা ছিল নিতান্ত মামুলি। ম্যাসাচুসেটস্ বিশ্ববিদ্যালয়ে অর্থনীতি নিয়ে গবেষণা করতে আসা টমাসকে তাঁর অধ্যাপকেরা বললেন নতুন করে তথ্য (ডেটা) সংগ্রহ করে রিনহার্ট-রজফ তত্ত্ব প্রমাণ করতে।
হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতির অধ্যাপক কার্মেন রিনহার্ট এবং কেনেথ রজফের ওই গবেষণাকে সারা বিশ্বের শিক্ষা জগৎ এক ডাকে চেনে। তাঁরা দেখিয়েছিলেন, কোনও উন্নত দেশের ঋণ জাতীয় আয়ের ৯০ শতাংশ ছাড়িয়ে গেলে, তা বৃদ্ধিকে পুরোপুরি থমকে দেওয়ার পক্ষে যথেষ্ট। কারণ, তখন বৃদ্ধি তো দূরের কথা, বরং কিছুটা সঙ্কুচিতই হবে সে দেশের অর্থনীতি।

কেনেথ রজফ।
দুই গুরুর এক জন।
টমাসও নিশ্চিন্ত ছিলেন যে, ওই একই ফলাফল উঠে আসবে তাঁর জোগাড় করা তথ্যে। কিন্তু এ কি গেরো? অঙ্ক আর মেলে না!
বার বার কষার পরেও কিছুতেই ওই তত্ত্বের ধারেপাশেও পৌঁছতে পারছেন না টমাস। হিসাব দেখাচ্ছে, গলা অব্দি ধারে ডুবে থাকার দরুন বৃদ্ধি ধাক্কা খাবে ঠিকই। কিন্তু তবুও তা থাকবে ২.২ শতাংশের আশেপাশে।
মাস্টারমশাইদের বলার আগে নিজেই প্রবল বিড়ম্বনায় পড়লেন টমাস। অর্থনীতির পড়ুয়া হিসেবে তিনি বিলক্ষণ জানেন অর্থনীতিবিদ হিসেবে ওই দুই হার্ভার্ড অধ্যাপকের দুনিয়াজোড়া খ্যাতির কথা। জানেন, কলম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পিএইচডি করা রিনহার্ট মুখ্য অর্থনীতিবিদ ও ভাইস প্রেসিডেন্ট হিসেবে কাজ করেছেন বিশ্বের প্রথম সারির ইনভেস্টমেন্ট ব্যাঙ্কে। কাজ করেছেন আন্তর্জাতিক অর্থ ভাণ্ডারে (আইএমএফ)। সেখানে আবার মুখ্য অর্থনীতিবিদ পদে কাজের অভিজ্ঞতা রয়েছে দাবায় গ্র্যান্ডমাস্টার রজফের।
শুধু তা-ই নয়। তাঁদের ওই তত্ত্ব এতটাই বিখ্যাত, যে বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসের বাইরেও তা বহুচর্চিত। খাস মার্কিন মুলুকে আগের বার প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের সময় ওই ‘থিওরি’ বার বার তুলে এনেছেন রিপাবলিকানরা। বোঝাতে চেয়েছেন, প্রয়োজনে সরকারি ব্যয় ছেঁটেও ঋণের বোঝা কমানো কেন এত জরুরি। এই একই যুক্তির উপর আস্থা রেখেছে ব্রিটেন সমেত ইউরোপের অনেক দেশও। তাই সেখানে যে এমন গোড়ায় গলদ থাকতে পারে, সেই সম্ভাবনা অন্তত প্রথম দিকে ভুলেও মাথায় আসেনি তাঁর।
কিন্তু বার বার ব্যর্থতায় বিরক্ত হয়ে শেষ পর্যন্ত সাহস করে রিনহার্ট আর রজফের কাছে নিজের সমস্যা জানিয়েছিলেন টমাস। তাঁকে নিজেদের হিসাবের এক্সেল শিট দিয়েওছিলেন ওই দুই অধ্যাপক। আর তা দেখতে গিয়েই চক্ষু চড়ক গাছ।
টমাস দেখলেন, হিসাব কষার সময় ২০টি দেশের মধ্যে ১৫টি দেশের তথ্য নিয়েছেন রিনহার্ট-রজফ। তাদের মধ্যে আবার এমন দেশ রয়েছে, যার বৃদ্ধি সেই সময় শূন্যের অনেক নীচে। সেই কারণেই হিসাবে ওই গলতি।
বার বার অঙ্ক কষেও নিজের চোখকে বিশ্বাস করতে পারেননি। ফোনে ডেকে নিয়েছিলেন বান্ধবীকে। জিজ্ঞাসা ছিল, “ভুল দেখছি না কি?” ভরসা জুগিয়ে বান্ধবী অবশ্য বলেছিলেন, “মনে হয় না।”
দুনিয়া জুড়ে এ নিয়ে হইচই শুরু হওয়ার পর হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই অধ্যাপক অবশ্য এ দিন মেনে নিয়েছেন, ভুল তাঁদেরই। তবে তাতে তত্ত্বের মূল প্রতিপাদ্য পাল্টাবে না বলেই তাঁদের দাবি।
কিন্তু তাতে চিঁড়ে ভেজেনি। অনেকেই প্রশ্ন তুলছেন, যে তত্ত্বকে সামনে রেখে ধার কমাতে সরকারি খরচ ছাঁটাইয়ের এত তোড়জোড়, সেটাই তো ভুল! তা হলে?
এ নিয়ে আগামী দিনে নতুন করে অনেক গবেষণা হবে নিশ্চয়ই। উঠে আসবে অনেক নতুন তথ্য। কিন্তু আজ অন্তত গোলিয়াথের সঙ্গে ডেভিডের ‘যুদ্ধ জেতা’র দিন।

Tuesday, April 16, 2013

বাঙালির ব্র্যান্ড মিষ্টি

বাঙালির পরিচয় তার মিষ্টির রেকাবিতে। উত্তরবঙ্গ থেকে দক্ষিণবঙ্গ, নানা জেলায় অপূর্ব সব মিষ্টির পসরা। কোচবিহারের মন্ডা, বহরমপুরের ছানাবড়া, কৃষ্ণনগরের সরপুরিয়া, বর্ধমানের সীতাভোগ-মিহিদানা, জেলার নামেই মিষ্টির ব্র্যান্ডনেম।
তবে সেরা মিষ্টির খোঁজে যেতে হতে পারে সদর থেকে ভিতরে। যেমন জলপাইগুড়ির বেলাকোবার চমচম। দুধ, চিনি, ময়দা আর খোয়া ক্ষীরের ঠিক মিশেল হলে তবেই আসবে তার লালচে রঙ, জানালেন বাদল দত্ত। দীর্ঘ ছয় দশক ধরে বেলাকোবা স্টেশন রোডে তিনি বিক্রি করছেন এই মিষ্টি। একই রকম জনপ্রিয় মালদহের রসকদম্ব বা ক্ষীরকদম্ব। জনশ্রুতি, সুলতান হুসেন শাহের আমলে চৈতন্যদেব গৌড়ে এসে কেলিকদম্ব গাছের নিচে রূপ সনাতনকে দীক্ষা দিয়েছিলেন। সেই কদম্ব গাছ থেকেই নাকি রসকদম্বের সৃষ্টি। ইতিহাস না লোককথা?
ইতিহাস রয়েছে রায়গঞ্জের অমৃতিরও। দেশভাগের পর বাংলাদেশ থেকে ময়রারা এখানে এসে প্রথম অমৃতি তৈরি করেন। দেবীনগরে অমৃতি বাজারই গড়ে উঠেছে। উপাদান মাসকলাইয়ের ডাল। কারিগর ভোম্বল ঘোষ বলেন, প্রতিটি অমৃতি ছয় পাকে ভেজে মধুর মতো গাঢ় রসে ৩ মিনিট চুবিয়ে রাখতে হয়।
হুগলির প্রাচীন জনপদ জনাই বিখ্যাত মনোহরার জন্য। বানানোর পদ্ধতিও রীতিমত রহস্যময়। মনোহরার উপরে থাকে চিনির আস্তরণ, ভিতরে ঝুরঝুরে সন্দেশ। কড়াইতে চিনি জ্বাল দিয়ে রস এমন ঘন করতে হবে, যাতে কড়াইয়ের গায়ে আস্তরণ পড়ে যায়। সেই রসে সন্দেশ ফেলে চামচে করে তুলে রাখতে হয় কলাপাতায়।
বানিয়ে নিন বাড়িতেই
পুরুলিয়ার নিখুঁতি
উপকরণ: ছানা ৬০০ গ্রাম, বুটের বেসন ৪০০ গ্রাম, গাওয়া ঘি, এলাচ, চিনি।

পদ্ধতি: ছানা ও বেসন ভাল করে মাখতে হবে। তাতে এলাচ গুঁড়ো মিশিয়ে নিতে হবে। ওই মিশ্রণ থেকে ল্যাংচার আকারে মিষ্টিগুলো তৈরি করে ঘাওয়া ঘিয়ে লাল করে ভাজতে হবে। তার আগে পাতলা চিনির রস তৈরি করে রাখতে হবে। ভাজার পরে নিখুঁতি ওই রসে চুবিয়ে তুলে নিতে হবে। ছানা ও বেসনের মিশ্রণে টক দইও ব্যবহার করা যেতে পারে।
সামান্য তিল দিয়ে মুচমুচে করে তৈরি হয় লালগোলার খাজা। মেদিনীপুরের ক্ষীরের চপ, বাঁকুড়ার ছাতনার প্যাড়া পরিচিত। তুলনায় কম জানা মিষ্টি পুরুলিয়ার কস্তার লাড্ডু। খোয়া বা ক্ষীরের সঙ্গে অ্যারারুট বা ময়দা ভাল করে মাখতে হয়। যোগ হয় জায়ফল, জৈত্রি, লবঙ্গ, এলাচ, দারুচিনি, নাগেশ্বরকুসুম ফুল, জাফরান, কেশর গুঁড়োর মিশ্রণ। নিট ফল অনবদ্য এই লাড্ডু।
আর দই? প্রথমেই আসবে দক্ষিণ দিনাজপুরের দইয়ের নাম। বালুরঘাট ও গঙ্গারামপুরে গরুর দুধে তৈরি খাসা দই, সাদা মিষ্টি দই, ক্ষীর দই এবং টক দইয়ের সুখ্যাতি সর্বত্র। এক হাঁড়ি দই কিনে রেখে সাত থেকে আট দিন পরেও খাওয়া যায়, জানালেন বালুরঘাট খাদিমপুরে মিষ্টান্ন কারিগর পানু ঘোষ। নবদ্বীপও কম যায় না। প্রায় দু’কেজি ওজনের মিষ্টি হাঁড়ির দই কতটা জমাট তা বোঝাতে দোকানদার ক্রেতার সামনে হাঁড়ি উপুড় করে দিলেন। দই যেমনকার তেমন রইল। একটুও পড়ল না। দোকানদার বললেন, ‘বুঝলেন এর নাম নবদ্বীপের লালদই। যে দই বসার পর চাকু দিয়ে না কাটলে হাঁড়ি থেকে পড়বে না।’ এ জন্য এর আর এক নাম চাক্কু দই। এই লাল দইয়ের জন্য চাই মোষের খাটি দুধ।
এমন বৈচিত্রের জন্যই কেক-পেস্ট্রির রমরমা বাজারেও সন্দেশ-দইয়ের স্থান অটুট। মিষ্টিমুখেই পূর্ণ হয় ষোলআনা বাঙালিয়ানা।

Tuesday, April 9, 2013

KISSING AND ITS MEANING....:*

KISSING AND ITS MEANING....:*
What a Kiss means.. Actually read the whole thing cause its nice! :* ♥


Kiss on the Forehead = I hope we're together forever
Kiss on the Ear = Ur my everything
Kiss on the Cheek = We're frnds
Kiss on the Hand = I adore U
Kiss on the Neck = We belong together
Kiss on the Shoulder = I want U
Kiss on the Lips = I love U ♥

What the gesture means...♥

Holding Hands = We definitely love each other
Holding on tight = I don't want to let go
Looking into each other's Eyes I just plain love u
Playing with Hair = Tell me u love me
Arms around the Waist = I love u too much to let go
Laughing while Kissing = I am completely comfortable with u

ADVICE:-
ADVICE:-
Dont ask for a kiss, take one. +If u were thinking about
someone while reading this,